পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের উদ্যোগে, ১১৫ তম আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী দিবস পালিত



কলকাতা (ভারত) প্রতিনিধিঃ


আজ ৮ই মার্চ শনিবার, ঠিক দুপুর তিনটায়, পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের উদ্যোগে, বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে থেকে  ধর্মতলা ডরিনা ক্রসিং পর্যন্ত, ১১৫ তম আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী দিবস উপলক্ষে বিশাল র‍্যালী  ও সংক্ষিপ্ত সভার আয়োজন করেন। 



এই র‍্যালীতে উপস্থিত ছিলেন, সাংসদ মালারাই, মন্ত্রী শশী পাঁজা, বিধায়িকা নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সায়নী ঘোষ, স্মিতা বক্সী, দেবলীনা বিশ্বাস, জুঁই বিশ্বাস, চৈতালী চ্যাটার্জী, প্রিয়দর্শিনী, সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের অন্যান্য কাউন্সিলর , মন্ত্রীগণ ও মহিলা নেতৃত্বরা। 



এই মিছিলে কয়েক হাজার মহিলা অংশগ্রহণ করেন, এবং তাহারা হাতে ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে পায়ে পায়ে এগিয়ে যান ধর্মতলার দিকে। 


তারা বলেন, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এবং অনুপ্রেরণায় আজ আমরা অনুপ্রাণিত, বাংলার ঘরে ঘরে দিদি উন্নয়নের জোয়ার এনে দিয়েছেন। নারীদের উৎসাহিত করেছেন, বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্য দিয়ে নারীদের জয় জোয়ার এনে দিয়েছেন। আজ সাড়া দেশে ঘরের বউয়েরা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে নিজেদের হাতের কাজ করে রোজগার করছেন, এর সাথে সাথে বলেন বাংলার দিদি প্রতিবছর একটি করে প্রকল্প তুলে দিচ্ছেন। 


তারা বলেন ১১৫ তম আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী দিবস হলেও, দিবসের ৫০ বছরে  দিদি বাংলার ঘরে ঘরে। 


তিনি আনন্দধারায় এক কোটি ২১ লক্ষ্য মেয়েদের জীবনের পথে স্বনির্ভর করেছেন। ৮০ হাজার স্বয়ংসিদ্ধা দল তৈরি করেছেন। ১ কোটি ২০ লক্ষ ছাত্রী  সবুজ সাথীর আওতায়। তিনি কন্যাশ্রীর জন্য বরাদ্দ ১৫ কোটি  করেছেন। ৪১টি মহিলা পরিচালিত থানা বাংলার মহিলাদের নিরাপত্তার জন্য তৈরি করেছেন। 


ঐক্যশ্রী শিক্ষাশ্রী মেধাশ্রী তরুণ এর স্বপ্ন পূরণ করেছেন। তাহাদের পাশে রয়েছেন। এইভাবে একের পর এক প্রকল্প মহিলাদের জন্য তৈরি করেছেন। 


সুন্দর একটি প্রশেসনের মধ্য দিয়ে শোভাযাত্রা যখন ধর্মতলার দিকে এগিয়ে আসে, সেই মুহূর্তে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, একমাত্র মেয়েরাই পারে দুর্গা রূপে সৃষ্টি করতে, মেয়েরা পিছিয়ে পড়ে না, ভয় পায় না, মেয়েরাও পুরুষদের মত সমান অধিকারী, বাড়ির কাজ সেরে তারাও নিজেদের স্বনির্ভর। আজ বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে কয়েক হাজার মহিলা এই সভায় পা মেলান।।


রিপোর্টারঃ সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ।

Share on Google Plus

About সাদ্দাম হোসেন

0 $type={blogger}:

Post a Comment